{{ news.section.title }}
ইবিতে সাইবার সিকিউরিটি সোসাইটির নবীনবরণ সম্পন্ন
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) সাইবার সিকিউরিটি সোসাইটি'র নবীনবরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১৭ মে) বেলা ১২ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইবনে সিনা বিজ্ঞান ভবনের ১০২ নং কক্ষে নবীনবরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
ইভেন্ট কোর্ডিনেটর ইয়াসির আরাফাতের সঞ্চালনায় এবং অধ্যাপক ড. আলমগীর হোসেন সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. জাহিদুল ইসলাম, ফ্যাকাল্টি উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. শাহজাহান আলী, অধ্যাপক ড. শরিফুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. তারেক হাসান আল মাহমুদ, অধ্যাপক মোহাম্মদ আশেক রায়হান, অধ্যাপক ড. পরেশ চন্দ্র বর্মণ ও অধ্যাপক ড. তপন কুমার জোদ্দার। এছাড়া এসময় সংগঠনের অন্যান্য সদস্য ও নবীনরা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় নবীন শিক্ষার্থী অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, আইসিটি শিক্ষার্থী হিসেবে আমরা শুধু প্রযুক্তির ব্যবহার করবো না। প্রযুক্তিকে নিরাপদ রাখা আমাদের কর্তব্য। এই জায়গা থেকে সাইবার সিকিউরিটি ক্লাব আমাদের জন্য একটি বড় সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে। এই ক্লাবের মাধ্যমে আমরা ইথিক্যাল হ্যাকিং, নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি, ডিজিটাল ফরেন্সি, সাইবার সিকিউরিটি এবং রিয়াল ওয়ার্ড সিকিউরিটি চ্যালেঞ্জেস সম্পর্কে জানতে পারব।
নবীনদের উদ্দেশ্যে সভাপতি মো. রিপন বলেন, তোমরা শুধু সার্টিফিকেটের জন্য নয়– জ্ঞান ও দক্ষতার জন্য কাজ করো। নিজেকে প্রতিনিয়ত আপডেট রাখো, নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করো এবং ব্যর্থতাকে ভয় না পেয়ে সামনে এগিয়ে যাও। হয়তো আজ তোমরা একজন শিক্ষার্থী, কিন্তু আগামী দিনেই তোমাদের মধ্য থেকেই কেউ দেশের সেরা Security Researcher, Ethical Hacker কিংবা Cyber Security Leader হয়ে উঠবে, ইনশাআল্লাহ।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান বিশ্বে Cyber Security শুধু একটি পেশা নয়, এটি একটি দায়িত্ব। প্রযুক্তিনির্ভর এই যুগে তথ্য ও নিরাপত্তা একে অপরের পরিপূরক। আর সেই দায়িত্বশীল ভবিষ্যৎ গড়ার স্বপ্ন নিয়েই আমাদের এই পথচলা।
সংগঠনটির প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা সবাই ডেটার মধ্যেই আছি আর আমাদের এই ডেটা দিন দিন বাড়ছে। এই ডেটা প্রটেকশন দেওয়ার জন্য আমাদের অনেক ধরনের অ্যালগরিদম আছে। আমাদের ক্লাসের বাইরেও লাইফ প্র্যাকটিসিং পড়াশোনা করতে হবে। আমি মনে করি এই প্র্যাকটিসিংটা করা যায় এ ধরনের ক্লাবের মাধ্যমে। আমাদের স্টুডেন্টদের সিটিএফ ক্যাপাসিটি আছে, যদি তারা সঠিক সুযোগ পায়, যদি মেন্টরিং ঠিক মতো পায় তাহলে এই ধরনের কম্পিটিশনে আমরা ন্যাশনাল এবং ইন্টারন্যাশনাল পর্যায়ে আমাদের প্রতিভার সাক্ষ্য রাখতে পারি।’