{{ news.section.title }}
দেশের বিভিন্ন এলাকায় দুপুরে ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা
দেশের ৫ অঞ্চলের ওপর দিয়ে দুপুরের মধ্যে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। সম্ভাব্য বৈরী আবহাওয়ার কারণে এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
সোমবার (১১ মে) ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়। আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্রের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বাতাস বয়ে যেতে পারে। এ সময় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এসব অঞ্চলের নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর পুনঃ ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। সাধারণত নদীপথে চলাচলকারী ছোট নৌযান, ট্রলার ও লঞ্চের জন্য এ ধরনের সতর্কতা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ স্বল্প সময়ের ঝোড়ো হাওয়া নদীতে ঢেউ বাড়িয়ে চলাচলে ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তাই নদীপথে চলাচলকারী নৌযানগুলোকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচলের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তরের সারা দেশের সম্ভাব্য পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সোমবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
আজকের পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় ৩২ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। সোমবার সকাল ৭টার পূর্বাভাসে ঢাকা ও আশপাশের এলাকার আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকতে পারে এবং বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সকাল ৬টায় ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ২৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়াবিদরা বলছেন, মৌসুমি পরিবর্তনের এই সময়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হঠাৎ বৃষ্টি, বজ্রপাত ও দমকা হাওয়ার প্রবণতা দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে উপকূলীয় ও নদীবন্দরসংলগ্ন এলাকায় আবহাওয়ার দ্রুত পরিবর্তন নৌযান চলাচলে ঝুঁকি তৈরি করে। তাই আবহাওয়া অধিদপ্তরের সতর্কতা মেনে চলা, বজ্রপাতের সময় খোলা জায়গা, গাছের নিচে ও জলাশয়ের আশপাশে অবস্থান এড়িয়ে চলা এবং প্রয়োজন ছাড়া নদীপথে যাত্রা না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।