{{ news.section.title }}
দেশের বাজারে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ
দেশের বাজারে আবারও কমেছে সোনার দাম। গত শনিবার (১৬ মে) বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) নতুন দর ঘোষণা করে ভরিপ্রতি ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা কমিয়েছে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের সোনার দাম। নতুন মূল্য অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৩৮ হাজার ১২১ টাকায়। শনিবার সকাল ১০টা থেকেই এ দাম কার্যকর হয়েছে।
বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনা বা পাকা সোনার দাম কমে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন এই মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামের ওঠানামা এবং স্থানীয় চাহিদা-সরবরাহ পরিস্থিতির প্রভাবেও দেশের বাজারে নিয়মিত সোনার দাম সমন্বয় করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
নতুন দর অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৪ হাজার ১৪১ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৭ হাজার ৩৩১ টাকা। এছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮৪৭ টাকা করা হয়েছে। সনাতন পদ্ধতির সোনার দামও কমেছে। এ ক্যাটাগরিতে প্রতি ভরি সোনার দাম ২ হাজার ৯১৬ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৮৯ টাকা।
এর আগে গত শুক্রবারও সোনার দাম কমিয়েছিল বাজুস। সে সময় ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ হাজার ২১৫ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। অর্থাৎ টানা দুই দফায় কয়েক হাজার টাকা কমেছে সোনার দাম।
জুয়েলারি ব্যবসায়ীরা বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে কিছুটা নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। পাশাপাশি স্থানীয় বাজারেও পাকা সোনার দাম কমায় বাজুস নতুন করে দর সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে বিশ্ববাজারে পরিস্থিতি পরিবর্তন হলে আবারও দাম বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা রয়েছে।
সোনার পাশাপাশি কমানো হয়েছে রুপার দামও। নতুন দর অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ১১৭ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৬৫৭ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ১৭৫ টাকা কমিয়ে ৫ হাজার ৩৬৫ টাকা করা হয়েছে।
১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ১১৭ টাকা কমিয়ে ৪ হাজার ৬০৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ১১৭ টাকা কমিয়ে ৩ হাজার ৪৪১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিয়ের মৌসুম ও ঈদকে সামনে রেখে স্বর্ণের বাজারে ক্রেতাদের আগ্রহ বাড়লেও ঘন ঘন দামের পরিবর্তনে অনেকেই এখন অপেক্ষার কৌশল নিচ্ছেন। কেউ কেউ দাম আরও কমার আশায় কেনাকাটা পিছিয়ে দিচ্ছেন, আবার অনেকে এটিকে স্বর্ণ কেনার উপযুক্ত সময় বলেও মনে করছেন।
চলতি বছরজুড়ে দেশের বাজারে সোনা ও রুপার দামে ব্যাপক ওঠানামা দেখা যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজার, ডলারের বিনিময় হার, আমদানি ব্যয় ও স্থানীয় বাজারে পাকা সোনার দামের ওপর ভিত্তি করেই মূলত বাজুস নিয়মিত নতুন দর নির্ধারণ করছে।