{{ news.section.title }}
শিক্ষা ও মেধাবৃত্তি দেবে ডিএনসিসি
রাজধানীর সুবিধাবঞ্চিত ও অস্বচ্ছল পরিবারের শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন এগিয়ে নিতে শিক্ষা ও মেধাবৃত্তি কার্যক্রম চালু করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)।
এই উদ্যোগের মাধ্যমে দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের নিয়মিত লেখাপড়া চালিয়ে যেতে আর্থিক সহায়তা দেয়া হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। সোমবার (১১ মে) দুপুরে রাজধানীর গুলশানে নগর ভবনে আয়োজিত মেধাবৃত্তির চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানান ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান।
অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, এ বছর মোট ৭৩১ জন শিক্ষার্থীকে মেধাবৃত্তি প্রদান করা হবে। শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন আরও সহজ ও উৎসাহব্যঞ্জক করতে এই কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি আগামীতে বৃত্তির অর্থের পরিমাণ বাড়ানোর পরিকল্পনাও রয়েছে বলে জানান তিনি। ডিএনসিসির এই উদ্যোগকে রাজধানীর শিক্ষাখাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
শফিকুল ইসলাম খান আরও বলেন, অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী শুধুমাত্র আর্থিক সংকটের কারণে ঝরে পড়ে। তাই সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর সন্তানদের শিক্ষা নিশ্চিত করতে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। তিনি জানান, বৃত্তির বাইরে থাকা অস্বচ্ছল পরিবারগুলোকেও ভবিষ্যতে সহায়তার আওতায় আনার উদ্যোগ নেয়া হবে। এতে করে আরও বেশি শিক্ষার্থী উপকৃত হবে এবং তাদের মধ্যে শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বাড়বে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানান। তারা বলেন, বর্তমান সময়ে শিক্ষা ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় নিম্নআয়ের পরিবারের পক্ষে সন্তানদের পড়ালেখা চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। এমন সহায়তা শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে এবং তাদের উচ্চশিক্ষা গ্রহণে উৎসাহ দেবে। অনেক অভিভাবক মনে করেন, এই ধরনের বৃত্তি কার্যক্রম নিয়মিত চালু থাকলে ঝরে পড়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে আসবে এবং শিক্ষার মানও উন্নত হবে।
এদিকে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান ডিএনসিসি প্রশাসক। তিনি বলেন, বাসাবাড়ি, ছাদ ও আশপাশে জমে থাকা পানি দ্রুত পরিষ্কার করতে হবে। কারণ এডিস মশার লার্ভা সাধারণত পরিষ্কার জমে থাকা পানিতে জন্ম নেয়। শুধুমাত্র ওষুধ ছিটিয়ে মশা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ডেঙ্গু মোকাবিলায় নাগরিকদের নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্বশীল হতে হবে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে। পাশাপাশি পরিচ্ছন্ন নগর গড়ে তুলতে সবাইকে সচেতনভাবে কাজ করারও আহ্বান জানান তিনি।